উপজেলা পরিষদ নির্বাচন:নাইক্ষ্যংছড়িতে নতুন মুখের প্রতি ভর করছে ভোটাররা

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন:নাইক্ষ্যংছড়িতে নতুন মুখের প্রতি ভর করছে ভোটাররা
শ.ম.গফুর,উখিয়া(কক্সবাজার) :: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ না কাটতেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ। আওয়ামীলীগ থেকে কে প্রার্থী হচ্ছেন,আর দলীয় ভাবে কে মনোনয়ন পাচ্ছেন বা দেওয়া হচ্ছে,তা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই।ভোটারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবারের ভোটে শিক্ষিত তারুণ্য নির্ভর প্রার্থীইই পছন্দ।তাই ভোটারের জোঁক নতুন এবং তরুণের প্রতি।
উপজেলাবাসীর কাংখিত উন্নয়ন আর মানুষের কল্যাণে কে কোন ধরণের ভুমিকা রাখতে পারবে তা নিয়ে তৃর্ণমুল থেকে উপজেলা সদর পর্যন্ত আলোচনার ঝড় বইছে।চায়ের দোকান,হোটেল রেস্তোরা, রাস্তা-ঘাট,পথে-প্রান্তরে,গ্রামে-গঞ্জে,
সামাজিক নানা অনুষ্ঠানে বইছে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন নিয়ে কথাবার্তা। বিএনপি-জামায়াত থেকে কে প্রার্থী হবেন,আদৌ তাঁরা নির্বাচনে অংশ নিবে কিনা তা নিয়েও প্রবল সন্দেহ রয়েছে।
কিন্তু যারা আওয়ামীলীগ থেকে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী হবেন,তাঁরা কিন্তু পিছিয়ে নেই।বার-বার ঘুরে ফিরে আওয়ামী ঘরাণার সম্ভাব্য প্রার্থীরা আগাম প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে নিজেদের প্রার্থীতার কথা জানান দিচ্ছেন।আওয়ামীলীগ থেকে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে সাবেক ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপির প্রতিনিধি, জেলা আআওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক,২০০৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মো:খাইরুল বশর,গতবারের প্রার্থী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপক মো:শফিউল্লাহ সহ তেমনি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রবল ইচ্ছা পোষণ করে নির্বাচনের মাঠে-ময়দানে আগাম বার্তা পৌছে দিচ্ছেন জেলার রাজনৈতিক সচেতন নেতৃত্বশীল পরিবারের উচ্চ শিক্ষিত সন্তান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফরিদ।তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু গ্রামের প্রথিতযশা শিক্ষক মরহুম আজিজুল হক মাষ্টারের কনিষ্ট সন্তান।ছাত্রজীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করা মোহাম্মদ ফরিদ বরাবরই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পূজারী। আওয়ামীলীগ সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থাবাদী একজন সৎ-নিষ্ঠাবান শিক্ষক।
তিনি ১৯৮৮ সালে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ১৯৯০-৯৪ সালে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী পাশ করেন।শিক্ষকতা পেশা বেচে নিয়ে ১৯৯৫ সালে দক্ষিণ চট্রগ্রামের লোহাগাড়া আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান কলেজে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতার হাতেখড়ি।এ পদে ২০০৩ সাল পর্যন্ত অতিবাহিত করে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন হয়ে ২০১০ সাল পর্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সহিত এগিয়ে যান।পরবর্তী একই বছর থেকে চট্রগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও ছাফা মোতালেব কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করে অদ্যাবধি কর্মরত আছেন।
তিনি শিক্ষকতার উৎকর্ষ সাধনে শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় এইচ.এস.টি.টি.আই কুমিল্লা থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণও গ্রহণ করেছেন।দলীয়ভাবে বাংলাদেশ অনলাইন বঙ্গবন্ধু পরিষদ লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি, ঘুমধুম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়ীত্ন পালন করছেন।পেশাগত কারণে পটিয়া এবং চট্রগ্রাম শহরে বসবাস করলেও মন-প্রান ও নাড়িঁর টানে প্রতি সপ্তাহে স্বপরিবার নিয়ে ছুটে আসেন জন্ম ভুমি ঘুমধুমে।দল কিংবা মানুষের প্রয়োজনে ছুটে চলেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর থেকে বান্দরবান জেলা শহরে।দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা তাঁর পছন্দ বলে নিজ এলাকার প্রতিটি সামাজিক,ধর্মীয় এবং সাংগঠনিক অনুষ্ঠানে যথাসাধ্য সময় দিয়ে আস্থার প্রতিফলন ঘটান।
প্রতিটি দলীয় মিছিল-মিটিংয়ে অংশ গ্রহণ করা যেন পেশা কিংবা নেশায় ভর করে আছে অধ্যক্ষ মোহান্মদ ফরিদের।বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করা অধ্যক্ষ মোহান্মদ ফরিদ পারিবারিক ভাবে আওয়ামীলীগের সক্রিয় এক নিবেদিত প্রান।
আমৃত্যু আওয়ামীলীগের অন্ধভক্ত মরহুম বাবা আজিজুল হক মাষ্টারও শিক্ষক ছিলেন। মেঝু ভাই আলহাজ্ব মো:খাইরুল বশর বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক,ঘুমধুম ইউপির তিন-তিনবারের সাবেক চেয়ারম্যান এবং পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বাবু বীর বাহাদুর এমপির নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি, ৩য় ভাই মো:তাহের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের দায়ীত্নশীল,৪র্থ ভাই আলহাজ্ব মো:তৈয়ব ঘুমধুম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এবং উপজেলার সিনিয়র নেতৃত্ব। আপন ভাতিজা ঘুমধুম ইউপির চেয়ারম্যান একেএম জাহাংগীর আজিজরাই ভোটের প্রান শক্তি।দলের শক্তি,নিজের পেশাগত  মুল্যায়ন,পৈতৃক পরিবারের বাবা-মা’ ভাই, ভাইপোদের ইমেজকে কাজে লাগিয়ে আগামী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন লালন করছেন তিনি।
দীর্ঘদিন দলের প্রতি আনুগত্য পোষণ করা দলের দু:সময়-সু সময়ে যথাসাধ্য মানুষ ও মাটির জন্য কাজ করে আসছেন।দলের প্রয়োজনে ছুটে চলা মোহাম্মদ ফরিদ দীর্ঘ দিনের দল ও মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়ার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আরো এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে সেবার মহান ব্রত নিয়ে আগামী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগাম তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন।ইতিমধ্যে প্রার্থী হওয়ার ঘোষনা দিয়ে উপজেলা চষে বেড়াচ্ছেন।জানান দিচ্ছেন নিজের প্রার্থীতার কথা।দেশ, মাটি ও মানুষের জন্য আওয়ামীলীগ সরকারের করা উন্নয়নের চিত্র বার্তা ঘরে-ঘরে পৌছে দেওয়ার সংগ্রামে দিন অতিবাহিত করছেন।তিনি জানান,দল থেকে তাকে মনোনয়ন দিলে,নির্বাচিত হলে,ভিজিএফ-ভিজিডি,বয়স্ক ভাতা,দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প বাস্তবায়ন,মাতৃ ভাউচার স্কীম,স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করণ,প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন,গ্রামীণ অবকাটামো উন্নয়নসহ উপজেলার আনাচেকানাচে উন্নয়নে ভরে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফরিদ বলেন,পার্বত্য বান্দরবানের ৬ ষ্ট বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য,পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বাবু বীর বাহাদুর,বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ঘুমধুম,বাইশারী,দোছড়ি,সোনাইছড়ি ও সদর ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে আমার প্রতি এমনটাই আশা করছি।এর বাইরেও তরুণ সমাজের ভোটাররাই আমার প্রতি সমর্থন দেবে বলে দাবী করেন তিনি।দলমত নির্বিশেষে আমার(ফরিদ)জন্য কাজ করবে।তাদের সহানুভুতিকে কাজে লাগাবো।দলের প্রতিটি নেতাকর্মী আমার পক্ষ হয়ে নির্বাচনে ভুমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ। এক্ষেত্রে দলের সকল নেতাকর্মী, নারী-পুরুষের জনসমর্থন ও রায় আমার অনুকুলে আসবে বলে মনে করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*