কষ্টের গল্প শোনালেন ব্যারিস্টার সুমন

কষ্টের গল্প শোনালেন ব্যারিস্টার সুমন

ফকির হাসান : ২২ বছর ধরে সুইডেনে থাকনে এক প্রবাসী। তিনি তার ছেলে মেয়ের পাসপোর্ট করেছিলেন। কিন্তু তাতে পাসপোর্ট অফিস থেকে দুই জনেরই একই জন্মনিবন্ধন নাম্বার দিয়ে দিয়েছে। যে ভুলটি সুইডেনে ধারা পড়েছে। এরপর এই ব্যক্তি এটা সংশোধন করার জন্য বাংলাদেশে আসেন। পাসপোর্ট অফিসে যান কিন্তু সেখানে তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়। ওই ব্যক্তি এটা মানতে পারেন না। তিনি ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের মাধ্যমে একটি ম্যাসেস দেওয়ার জন্য তার কাছে যান। ওই ব্যক্তির বাড়ি সরাইলে। ব্যারিস্টার সুমন ওই প্রবাসীকে সাথে নিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন। লাইভে এসে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ওনার বাড়ি সরাইলে। উনি হবিগঞ্জে এসেছেন আমার সাথে দেখা করতে। তিনি ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা খরচ করে বাংলাদেশে এসেছেন এই পাসপোর্ট ঠিক করতে। ভুল কিন্তু উনি করেন নি। করেছে পার্সপোর্ট বিভাগ । অথচ পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পরে ওনার এই কাগজটা উড়ায়ে ফেলে দিয়ে বলেছে আপনি আরেকটা পাসপোর্ট করে নেন। পাসপোর্ট অফিস তো দায় নিচ্ছেই না। বরং ওনাকে অপমান অপদস্থ করে বিদায় দিয়েছে। উনি সমাধানের জন্য আমার কাছে আসেন নি। উনি বলছেন, আমি না হয় একটা পাসপোর্ট বানিয়ে নেবো। কিন্তু আমি ব্যারিস্টারের মাধ্যমে একটা ম্যাসেস যেন সবাইকে দেই। পাসপোর্ট অফিসের এই আচার আচরণ একটু হলেও যেনো বদলায়। এসময় সুমন বলেন, আজকে একজন প্রবাসীর যন্ত্রনা আপনাদের শোনাতে চাই। এরপর সেই প্রবাসী তুলে ধরেন তার বিদেশ যাওয়ার কষ্টের দিনগুলির কথা । বলেন, তিনি ২২ বছর আগে অবৈধভাবে ইতালি যান। সেখানে তারা দেড়শ জন একসাথে রওনা দেন। যেতে যেতে তাদের মধ্য থেকে ৭০ থেকে ৭৫ জন লোক মারা যান। কিন্তু ভাগ্যবান এই ব্যক্তি যিনি বেঁচে গেছেন। সেখানে বৈধ হয়েছেন। কিন্ত খোদ নিজের দেশে তার ঝামেলায় পড়তে হয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখায় ব্যারিস্টার সুমন প্রবাসীদের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য সকলকে আহবান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*