পুলিশ আর বড় ভাইদের টাকা দিয়ে ইয়াবা আর পতিতার ব্যবসা করি

কক্সবাজার কলাতলী হোটেল জোনে বার্মায়া দালাল শহিদের দম্ভোক্তি !
পুলিশ আর বড় ভাইদের টাকা দিয়ে ইয়াবা আর পতিতার ব্যবসা করি

স্টাফ রিপোর্টার ;; পর্যটনগরী কক্সবাজারে প্রাণ কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত লাইট হাউজ এলাকা যেন ইয়াবা আর পতিতালয়ের পৃথিবীর একমাত্র বৈধ মডেল টাউন।এইটা কোন সিনেমার গল্প নয় দালাল শহীদের মূখ্য ভাষা। চাইবার আগে মিলে যায় মরন নেশা ইয়াবা, আর পতিতা। যেখানে প্রতিদিন লাখো পর্যটকের আনাগোনা থেকে শুরু করে দেখা মিলে উঠতি বয়েসির যুবকেরা, সেখানে এমন বেহাল দশা ভাবিয়ে তুলেছে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের। ব্যবসায়ীদের আসংখা ইয়াবার দাপটে খুব শীগ্রই ভাটা পড়ে যাবে এই পর্যটন এলাকার, যার প্রভাব পরবে কক্সবাজার পর্যটনশিল্পের উপর। কারন হিসাবে কয় একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান
দালাল শহিদ একজনে যতেষ্ট এই এলাকা ধ্বংস করতে। তারা বলেন দালাল শহিদের রয়েছে ত্রিশ জনের একটা বিশাল ইয়াবা বাহিনী , তাদের মাঝে বেশি ভাগেই নারী ও শিশু। লাইট হাউজের অলি গলিতে ইয়াবা খুচরা,ও পাইকারী বিক্রয়, এবং হোটেল কটেজে, যে কোন রুমে ইয়াবা পৌঁচে দেওয়া তাদের কাজ। এমন অভিযোগ পেয়ে সাংবাদকর্মীদের হানা শহিদের আস্তানা শারমিন রিসোর্টে, দরজার সামনে দেখা হলো শারমিনের রিসোর্টের ম্যানাজার জসিমের সাথে, শহিদ আছে কিনা জানতে চাইলে? হ্যাফ প্যান্ট পড়া একটা লৌক জানতে চাইলেন কি লাগবে? ইয়াবা না নারী? সবই আছে ! ওনি উপরে আছেন। উপরে গিয়ে দেখি অপেনভাবে শহিদ ও তার দু এক জন বন্ধু আর তিন জন মহিলাদের নিয়ে ইয়াবা সেবনে মগ্ন। ম্যানেজার ইশারায় বললেন ওনি আমার মালিক শহিদ ! আমরা সংবাদ কর্মী পরিচয় দিয়ে জানতে চাইলাম, শহিদ ভাই প্রশাসন আপনাদের কিছু বলেনা? সংবাদ কর্মী পরিচয়ে শহিদ তার ম্যানেজার এর উপর ক্ষেপে অকর্থ ভাষায় গালিগালাজ করে। উত্তরে শহিদ চুরি করিনা ডাকাতি করিনা, মাগী আর ইয়াবা ব্যবসা করি, চুরি করেতো- করিনা, পুলিশ প্রশাসনকে মাসে বিশ হাজার আর স্থানীয় বড় ভাইদের ত্রিশ হাজার টাকা দিয়ে থাকি। কথা বলতে বলতে নিয়ে রুম ভর্তি কিছু তরুণী দেখালেন, নিজ রুমে নিয়ে অনেক গুলো ইয়াবার প্যাকেট দেখিয়ে বললেন এই আমার ব্যবসা, তার দৈনিক কত টাকা আয় হয় জানতে চাইলে! সবাইকে দিয়ে ত্রিশ মত থাকে আর নিজের খরচ আছে দৈনিক পাঁচ হাজার টাকা মত, সবই ইয়াবা সেবনে চলে যায় বলে নিজ মুখে জানান! সহজ ভাষায় বললেন যারা চলতে পারেনা সংসার চলাতে কষ্ট হয় এমন নারী দিয়ে ইয়াবা খুচরা বিক্রয় করায়, নারী ও পুরুষ মিলে ২০জনের মত আছে পাশে একজনকে দেখিয়ে বললেন ও আমার ডান হাত, নাম আরমান লাইট হাউজ বাড়ী, আর ও তারেক আমার বাম হাত, বাড়ী মহেশ খালি। হঠাৎ আরমান নামের ছেলেটি গরম হয়ে বললো শহিদ ভাই, এরা সবাই সাংবাদিক বারটা বাজাবে আমাদের! তখন শহিদ তাকে থামিয়ে দিয়ে বললো,সাংবাদিক না মুজিব চেয়ারম্যান ও আমার কিছুই করতে পারবেনা।
আমি ৬ বছর পুলিশের সোর্স ছিলাম সবাই আমাকে চেনে, পুলিশকে এখনো বড় ধরনের ধান্ধা করে দি মাঝে মাঝে । জানা গেছে কিছুদিন আগে দালাল শহিদ কর্তব্যরত ডি জি এফ আই মকবুলকে তার দায়িত্ব বাধা দিয়ে গালিগালাজ করে পুলিশের ভয় দেখায়, এমন কি গায়ে হাত পর্যন্ত তুলে, পরে ডি জি এফ আই মকবুল উপরের মহলে জানালে,র্যাব পুলিশ, এবং ডিবি হোটেলে তিন ঘন্টা অভিযান চালিয়ে দরজা ভেঁঙ্গে সাতজন নারী সহ গ্রেফতার করে পুলিশে দিয়ে দেন। মকবুল বলেন দুঃখের বিষয় হচ্ছে শহিদের বিরুদ্ধে এত অভিযোগের পরও পরের দিন শহিদ ছাড়া পেয়ে যান। শারমিন রিসোর্টের মালিকের সাথে যোগাযোগ করে একজন ইয়াবা ব্যবসায়ীকে কেন হোটেল ভাড়া দেওয়া হলো জানতে চাইলে, তিনি বলেন আমি শহিদ নামে কাউকে হোটেল ভাড়া দি নাই। আমার ভাড়াটিয়ার নাম নাছির মাঝি।তবে আমিও শুনেছি শহিদ পতিতা ও ইয়াবা ব্যবসা করে বলে। আপনি কিছু বলেন নাই, বলেছি আমি নাছির মাঝিকেও বলেছি। পরে নাছির মাঝির সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, হোটেল আমি ভাড়া নিয়েছি, টাকার অভাবে পড়ে ভুল করে দালাল শহিদকে শেয়ার নিয়েছিলাম। আমি জানতাম না সে ইয়াবা ব্যবসা করে পরে জানতে পেরে থানায় হোটেলের মালিককে নিয়ে লিখিত বিচার দিয়েছিলাম, থানার বেশি ভাগ অফিসার তার পক্ষে নিয়ে তাকে হোটেলে রাখতে হবে বলে জানিয়ে দেন। এর পরে আমরা আর কি করতে পারি? তবে আমি ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত না।
এই ব্যাপারে জানতে চেয়ে তৎকালীন কক্সবাজার মডেল থানার ওসি বতর্মান টেকনাফ থানার ওসি রমজিত কুমার বডুয়াকে ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
তবে কক্সবাজার থানার ওসি খন্দকার ফরিদ উদ্দীন জানিয়েছে বিষয়টা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
।আমাদের ট্যুরিস্ট এলাকার শারমীন রিসোর্ট সহ কয়েকটি এলাকায় সদর মডেল থানার পুলিশবৃন্দ মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা,বলতে গেলে ছেড়ে দিয়েছেন। কারণ বেচারা পুলিশ ক্লান্ত পরিশ্রান্ত মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে করতে আর কত পারে?আমাদের সদ্য বদলি হওয়া পুলিশ সুপার ডঃ ইকবাল স্যার কক্সবাজার ডিবির সাবেক ওসি মনির কাকুর কথায় জব্দ করা ইয়াবা বড়ির স্তুপ ডিবির গোদামে রাখা মুশকিল হয়ে যাওয়াই ১০ লাখের হিসাব ১০ হাজার দেখাইয়া বাকি গুলো বিক্রি করে দিয়েছিল।মা জননী আমাদের কিছু কিছু পুলিশ ইয়াবা বড়ির গন্ধ নিতে পারেনা।কারণ হলো গন্ধের তুড়ে তারা মাতাল হইয়া যায় তাই তারা জব্দ বেশী করলেও জব্দ তালিকার খাতায় অল্প করে দেখায় যে পরিমাণ গন্ধ সহ্য করতে পারে সেই পরিমাণে জব্দ তালিকার খাতায় লিপিবদ্ধ করা হয় আরকি। এতে বেচারা পুলিশ দের দোষ নাই কারণ তারা বেশী ঘ্রাণ সহ্য করতে পারেনা।মা জননী আসল কথা হলো পর্যটন ট্যুরিস্ট এলাকার শারমীন রিসোর্টে রোহিঙ্গা মিয়ানমার নাগরিক শহীদ আমাদের সদর মডেল থানার কয়েক জন উপ পুলিশ পরিদর্শকের খুব কাজের এবং কাছের মানুষ। এক কথায় পুলিশ ফ্রেন্ড। এই শহীদ ইয়াবা বড়ির আড়তদার। পাইকারি থেকে শুরু করে খুচরাও বিক্রি করে এই পুলিশ ফ্রেন্ড রোহিঙ্গা শহীদ। শুধু ইয়াবা নয় গ্রামের দরিদ্র মা বাবার বেকার মেয়েদের চাকুরীর ব্যবস্থাও শহীদ করে থাকেন। এদের চাকুরীর ধরণ আমাদের নারায়ণ গন্জের সেই পুরাতন টানবাজারের মত কাজ দিয়ে থাকেন দেশপ্রেমিক বিদেশী নাগরিক শহীদ। মুদ্দা কথায় তার ইয়াবা ও পতিতাবৃত্তি ব্যবসার রমরমা অবস্থা।রোহিঙ্গা শহীদের ব্যবসার উন্নতি দেখে কয়েক জন রিসোর্ট ম্যানেজার বলে তারা যদি ইয়াবা ও পতিতাবৃত্তি করার সরকারের অনুমোদন পেত তাহলে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়ত তারাও লাভবান হতে পারত।এদিকে সৈকত পাড়ার একজন স্কুল শিক্ষক আক্ষেপ করে বলেন, রোহিঙ্গা শহীদ বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা নারীদেরও পতিতাবৃত্তির চাকুরী দিয়েছে বলেই স্কুল শিক্ষকের আক্ষেপের কারণ।ঐ শিক্ষক নাকি শরণার্থী বিষয়ক কমিশনারের কাছ থেকে শুনেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে এইডস রোগীর সংখ্যা আশংকা জনক অবস্থায় বেড়েছে ।সেই রোহিঙ্গা নারীরা যদি এইডস আক্রান্ত হয়ে পতিতাবৃত্তি করে তাহলে দেশের মাঝে এইডস রোগের ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে। এই শিক্ষকের অনুরোধে আমাদের ক্রাইম ব্রাঞ্চ সহ কক্সবাজার ও জাতীয় কয়েকটি সংবাদপত্রের জেলা প্রতিনিধি সরেজমিনে শারমীন রিসোর্টে গিয়ে রোহিঙ্গা শহীদের সাথে কথা বলেন,রোহিঙ্গা শহীদ জোর গলায় বলেন,থানা পুলিশের সাথে চুক্তির মাধ্যমে শহীদ প্রকাশ্যে শারমীন রিসোর্টে বসেই মরণ নেশা ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করছে এবং বিভিন্ন খদ্দরের কাছে রুম ভাড়া দিয়ে পতিতাবৃত্তি চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশের সাথে লিখিত চুক্তি করেছে কিনা জানতে চাইলে রোহিঙ্গা শহীদ বলেন লিখিত কোন চুক্তি হয়না মৌখিক চুক্তি হয়।ইয়াবা ট্যাবলেট কোথায় থেকে সংগ্রহ করে জানতে চাইলে রোহিঙ্গা শহীদ বলেন, পুলিশ দেয়।মাঝে মাঝে চাহিদা বেশী হওয়ার কারণে বাহিরে থেকেও সংগ্রহ করতে হয় বলে জানান রোহিঙ্গা শহীদ।রোহিঙ্গা শহীদের দেওয়া তথ্য যাচাইয়ের জন্যে সদর মডেল থানার ওসি(অফিসার ই চার্জ) ফরিদ উদ্দীন খন্দকারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, পুলিশ অবৈধ ব্যবসা করতে দেয়ার কোন প্রকার চুক্তি করেনা এবং রোহিঙ্গা শহীদ অবৈধ ব্যবসা করছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন ওসি আমাদের ক্রাইম ব্রাঞ্চ টিমকে। সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও রোহিঙ্গা শহীদকে গ্রেপ্তার করতে শারমিন রিসোর্টে কোন প্রকার অভিযান চালানো হয়নি।রোহিঙ্গা শহীদ প্রকাশ্যে আগের মতই তার ইয়াবা কারবার ও পতিতাবৃত্তি চালিয়ে যাচ্ছে।পর পর কয়েকদিন সংবাদ পরিবেশন করার পরও প্রশাসন কোন প্রকার আইনি ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানিয়েছেন আমাদের সদর প্রতিনিধি।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন,সেখানে পুলিশি সহযোগিতায় ইয়াবা কারবার ও পতিতাবৃত্তি চালাচ্ছিলেন রোহিঙ্গা শহীদ সিন্ডিকেট।পুলিশকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানার পরও যখন অভিযান চালায়নি তখন সচেতন মহলের আক্ষেপ হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করে দিয়ে বেচারা পুলিশকে ক্ষমতা প্রদান করা হউক।কক্সবাজার পর্যটন এরিয়াই ইয়াবা ও পতিতাবৃত্তি চালানোর আইনী অনুমোদনের ব্যবস্থা করে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে দেওয়ার অনুরোধ জানাই এমনটাই মন্তব্য করেছেন এলাকার সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*