এমপি ফারুকের হাতে তানোরের উন্নয়ন চিত্র

এমপি ফারুকের হাতে তানোরের উন্নয়ন চিত্র

সারোয়ার হোসেন,তানোর: রাজশাহীর তানোরে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর এমপির প্রচেষ্টায় আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় ১০ বছরে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যাপক উন্নয়ন অর্জিত হয়েছে কমেছে দারিদ্রতার হার অনেক গৃহহীন পেয়েছেন মাথা গোজার ঠাই গৃহ বেড়েছে জীবনযাত্রার মান অনেকে হয়েছেন স্বাবলম্বী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তানোরে বিগত ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরবারের সময়ে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বাবদ বরাদ্দ ছিল মাত্র ২.১৭৪ মেট্রিক টন চাল ও ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা আর আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এই খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৭.২০০ মেট্রিক টন চাল ও ৩০ কোটি ২৬ হাজার ৪৮ টাকা অর্থাৎ বিএনপির সময় থেকে আওয়ামী লীগের সময়ে এই খাতে ১৮৬০ মেট্রিক টন ও ২৬ কোটি ৬৩ লাখ ৭৬ হাজার ৪৬৮ টাকা বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে মানবিক সহায়তা বাবদ বরাদ্দ ছিল ৩৯১ মেট্রিক টন চাল ও ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আর আওয়ামী লীগের সময়ে এই খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ১.৯৬০ মেট্রিক টন চাল ও ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্ধাৎ বিএনপির থেকে আওয়ামী লীগের সময়ে এই খাতে ১৫৬৯ মেট্রিক টন চাল ও ১৭ লাখ টাকা বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাবদ বরাদ্দ ছিল এক কোটি ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা আর আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এই খাতে ২৮টি প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৭ কোটি ৭৫ লাখ ১২ হাজার টাকা, অর্থাৎ জোট সরকারের থেকে আওয়ামী লীগ সরকারে সময়ে এই খাতে ৬ কোটি ৭০ লাখ ১২ হাজার টাকা বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে এলজিইডির মাধ্যমে ৫৯.৩৯৯ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে আর আওয়ামী লীগের সময়ে এলজিইডির মাধ্যমে ১৫৭.৭৩৬ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে অর্ধাৎ জোট সরকারের থেকে আওয়ামী লীগের সময়ে ৯৮.৩৩৭ কিলোমিটার রাস্তা বেশি নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও পল­ী উন্নয়ন সড়ক (জিওবিএম) প্রকল্প ছিলনা এটি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে চালু করা হয়েছে এবং এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১১৪.৮৬৮ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে এই প্রকল্প উপজেলার সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ ছিল না, তবে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এই খাতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ হলে উপজেলার ভাবমূর্তি অনেক উজ্জ্বল হবে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ ছিলনা তবে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এই খাতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের দরপত্র পক্রিয়াধীন রয়েছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদে আর্থিক অনুদান ও কর্মসূচির মাধ্যমে মহিলা নিয়োগের সুযোগ ছিল না, তবে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ৭টি ইউনিয়নে দুই ধাপে ৭০ জন করে মোট ১৪০ জন মহিলা নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং এই কর্মসূচির মাধ্যমে ২ কোটি ৩৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএমডি’র মাধ্যমে ৪১.৪৬ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে আর আওয়ামী লীগের সময়ে ৫১.৪৭৩ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে অর্ধাৎ জোট সরকারের থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ১০.০১ কিলোমিটার বেশি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে পাকা রাস্তা মেরামত সংস্কারে কোনো অথর্ বরাদ্দ ছিল না তবে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এই খাতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ৪৩.৫১ কিলোমিটার রাস্তা মেরামত ও সংস্কার করা হয়েছে। গভীর নলকুপ স্মার্ট কার্ড বেজড প্রিপেইড মিটার মিটার স্থাপনের ব্যবস্থা ছিল না তবে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গভীর নলকুপের স্মার্ট কার্ড ও বেজড প্রিপেইড মিটার স্থাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ৫৩৬টি গভীর নলকুপে স্মার্ট কার্ড ও প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে অর্থাৎ প্রতিটি ক্ষেত্রে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় ৫ গুন বেশি উন্নয়ন হয়েছে, এতে মানুষের আয় বেড়েছে ও বেড়েছে জীবন যাত্রার মান। সচেতন মহলের অভিমত, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো যারা উপকারীর উপকার শিকার বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না তারা অকৃতজ্ঞ আর অকৃজ্ঞকে স্বয়ং সৃষ্টি কর্তায় পচ্ছন্দ করেন না তাদের ধ্বংস অনিবার্য। এসব বিবেচনায় আওয়ামী লীগ সরকারের এতো উপকারের পরেও যদি উপকারভোগী মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ স্বরুপ আওয়ামী লীগকে তাদের ভোট না দেন তাহলে সেটা হবে আওয়ামী লীগের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা যেটা সমাজের কোনো সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ করতে পারে না। বিশিষ্ট জনদের অভিমত, এসব বিবেচনায় আওয়ামী লীগকে আবারো রাস্ট্রিয় ক্ষমতায় নিয়ে আশা ও ওমর ফারুক চৌধূরীকে এমপি নির্বাচিত করা এই অ লের মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*